Home কেরানীগঞ্জ করোনা আতঙ্কে দিশেহারা মানুষ প্রান্তিক পর্যায়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মুক্তি ভাবনা

করোনা আতঙ্কে দিশেহারা মানুষ প্রান্তিক পর্যায়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মুক্তি ভাবনা

192
0

এ যাবৎকাল যত মহামারি হয়েছে, প্রত্যেকটি মহামারির রোগ ছড়ানোর একটি প্যাটার্ন থাকে। একসময় সংক্রমণের চূড়ায় পৌঁছায়। তারপর আবার আস্তে আস্তে স্তিমিত হয়ে আসে। তবে সংক্রমণ কমে যাওয়ারও কিছু ফ্যাক্টর থাকে। যেমন—সামাজিক দূরত্ব মানা হয়েছে কি না, হাঁচি-কাশি শিষ্টাচার, হাত ধোয়ার অভ্যাস ইত্যাদি পরামর্শগুলো কতটা দায়িত্বের সঙ্গে জনগণ পালন করছে।

ত্রানের জন্য অপেক্ষায় আছে সাধারন মানুষ ।ফটোগ্রাফি : তৌহিদুজ্জামান ( প্রহর )

ঘড়ির কাঁটা যেন সময়ের আগেই বদলে যাচ্ছে। সময় কোথায় সময় নষ্ট করার! করোনাযুদ্ধ শুরু হয়েছিল ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক অজানা রোগের কথা জানতে পারে। শুরুটা চীনে। তারপর দিন পেরেয়ে মার্চ। দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছে করোনাভাইরাস

যেহেতু করোনাভাইরাসটি নতুন। প্রতিদিন নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছি ভাইরাসটি ঘিরে। আর তাই আজানা আতঙ্কে বুক ভারী হয়ে আসছে অনেকের। আর নেট দুনিয়ায় গুজবের বন্যা বয়ে যাচ্ছে, যা মানুষকে আরো আতঙ্কিত করে তুলছে

ফেসবুকবাসীর কেউ কেউ বলছেন, এ ওষুধ করোনার বিরুদ্ধে কার্যকর! অমনি বাজার থেকে উধাও ওষুধটি। গুজবের শেষ নেই। এমনকি করোনাভাইরাসে মৃত্যু হলে লাশ দাফন নিয়ে গুজব। কে শোনে কার কথা! গুজব প্রতিরোধ জরুরি হয়ে পড়েছে।

ফটোগ্রাফি : তৌহিদুজ্জামান ( প্রহর )

আমরা সবাই পরামর্শ দিচ্ছি, করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে বারবার হাত ধোবেন সাবান-পানি দিয়ে। হাতের কবজি পর্যন্ত। সুগন্ধি সাবান, কাপড়-কাচা সাবান যেটাই হোক না কেন; যখনই কোনো জিনিস স্পর্শ করবেন এবং সেই জিনিসে অন্যদেরও হাতের স্পর্শ লাগার সুযোগ আছে।

বাংলাদেশে অনেক মানুষেরই নানা ধরনের হাঁচি, কাশি, জ্বর প্রায়ই লেগে থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের উপসর্গ হলে তেমন একটা চিন্তা করেন না। অনেকে চিকিৎসাও করেন না। বাড়ির পাশের ফার্মেসি থেকে একটি অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে নেন।

ফটোগ্রাফি : তৌহিদুজ্জামান ( প্রহর )

আমাদের দেশে ধুলাবালি বেশি থাকায় ও অনেকের অ্যালার্জি থাকায় এ ধরনের সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে আবহাওয়া ভালো থাকায় বেশিরভাগ মানুষের জ্বর-কাশি, সর্দি-হাঁচি খুব একটা হয় না। যদি হয়ও, অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চিকিৎসা করে থাকেন।  আমাদের দেশে এ পর্যন্ত যে কজন শনাক্ত হয়েছে, কারো নাক দিয়ে পানি বের হওয়া বা সর্দি, পেটের পীড়া বা ডায়রিয়া ইত্যাদি উপসর্গ নিয়ে কেউ কোভিড-১৯ রোগে শনাক্ত হয়নি। করোনাভাইরাসে ফুসফুসের প্রান্তিক পর্যায়ে আক্রান্ত হয়।

 ঢাকার বাইরে প্রান্তিক পর্যায়ে এই টেস্ট করানোর সুযোগ প্রসারিত করতে হবে। যদিও এই পরীক্ষা অত্যন্ত জটিল।হে আল্লাহ এই করোনা ভাইরাসের মহামারী থেকে আপনি আমাদের সকল কে হেফাজতে রাখুন।আমিন ।

রিপোর্ট : আতিকুজ্জামান ( পিন্টু )

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here